Skip to main content

the invisible boy এর বাংলায় explanation.the invisible boy movie story summarized in bangla.



বলছিলাম 2014 সালে মুক্তি পাওয়া Action, Adventure, comedy মুভি the invisible boy মুভিটির ঘটনা প্রবাহ।

IMDB 6.2/10

মুভির সুরুতে আমরা দেখতে পায়, মিকি নামের এই বাচ্চাটিকে যার, সপ্ন ছিল সে সুপার হিরো হবে।কিন্তু তার স্কুলের বাচ্চারা তাকে এতটা বাজে ভাবে বিরক্ত করত যে, সে তার নিজের পকেটে টাকা রাখতে ও সাহস পেত না।ক্লাস সুরু হলে একজন পুলিশ অফিসার আসে তাদের ক্লাসে, এসে বলে তোমাদের ক্লাসের একটি বাচ্চা নিখোঁজ হয়ে গেছে।তোমাদের সাথে যদি তার দেখা হয় তাহলে বলবে সে জেন বাড়িতে চলে জায়।আসলে এই এই পুলিশ অফিসার ছিল মিকির মা।

তিনি ক্লাস থেকে বের হয়ে জায়। তার কিছুখন পরে মিকির নাক দিয়ে রক্ত পরতে থাকে।নিজের নাক থেকে ২ ফোটা রক্ত তার আনছার সিটে পরে। মিকি বাথরুমে গেলে জেই বাচ্চা ২ টি তাকে সব সময় বিরক্ত করত, সেই বাচ্চা ২ টি তার বাথরুমের দরজা ভেনগে তার দিকে একটি খেলনা বন্দুক তাক করে তার মোজার ভিতর থেকে টাকা নিয়ে নেয়।এই টাকা দিয়ে সে তার নিজের জন্য কোন এক সুপার হিরোর কস্টিউমস কিনতে চেয়েছিল।

মিকি কোন মতে বাথরুম থেকে বের হয়ে জায়, পালানোর সময়, সেই বাচ্চাটি খেলনা বন্দুক দিয়ে তাকে গুলি করতে থাকে।আর বাকি বাচ্চারা দারিয়ে দারিয়ে দেখতে থাকে।মিকি সেদিন বারিতে চলে আসে। সে ল্যপটপ এ stelar সোসাল মিডিয়ার পিকচার গুলো দেখতে থাকে।জাকে সে মনে মনে পছন্দ করত।কিন্তু সে তার পাজি বন্ধু দের ভয়ে stelar ধারের কাছেও আসতে পারতো না।

সেদিন ছিল stelar জন্মদিনের পারটি।এজন্য মিকি একটি এন্টিক শোরুমে জায়,নিজের জন্য একটি সুপার হিরোর কস্টিউমস কেনার জন্য। সেখানে থাকা সব আজব জিনিস পএ দেখে সে ঘাবড়ে যায়। সেখানে থাকা একটি ছেলে কে বলে আমার কাছে এই টাকা গুলো আছে।আমার একটি সুপার হিরোর কস্টিউমস লাগবে।সেই ছেলেটা তাকে একটি চাইনিস সুপার হিরোর জামা দেয়।সে বলে এই সুপার হিরোর পাওয়ার কি।সে বলে সেটা তুমি নিজেই বুঝতে পারবে।কস্টিউমস টি নিয়ে সে বারি চলে জায়।

মিকির স্কুলের যে বাচ্চাটি হারিয়ে গিয়েছে, সেই বাচ্চাটি তার এক বন্ধুকে একটি ভিডিও মেছেজ পাঠায়।ভিডিও তে সে বলে।আমি নিজের ইচ্ছে তে ঘর ছেরে চলে যাচ্ছি। বাচ্চাটিকে খুজে বের করার দায়িত্ব পরে মিকির মায়ের ওপর।

সেই কস্টিউমস টি পরে মিকি স্টেলার জন্মদিনের পারটি তে চলে যায়। সেখানে থাকা সব বাচ্চারা তাদের ইচ্ছেমতো কস্টিউমস পরে।হটাৎ সেখানে থাকা টিভিতে স্টেলার কিছু ভিডিও চালিয়ে দেয় সেই বাচ্চা ২টি যারা মিকিকে সব সময় বিরক্ত করত। স্টেলা এতে খুবই রেগে জায়। কারণ কেও একজন লুকিয়ে সেই ভিডিও গুলা ধারণ করেছে। সেই ২টি বাচ্চা জানায়।তার এই সব ভিডিও মিকির মোবাইল থেকে পেয়েছে। স্টেলা তাকে বলে এগুলো কি সত্যি?

মিকি সেখানে থেকে পালিয়ে যেতে চায়,এবং দোউরে বাথরুমে ঢুকে জায়।সব বাচ্চারা তার পিছু পিছু বাথরুমে চলে জায়।মিকি ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে বলে আরে ফালতু চাইনিজ কস্টিউমস তোমার পাওয়ার কি? আমাকে এখনই গায়েব করে দাও।কিন্তু এতে কোন লাভ হয় না।তাকে জানালা দিয়ে লাফিয়ে পালাতে হয়।

পরের দিন সকালে জখন মিকির ঘুম ভাংগে সে দেখে তার পোসা কুকুর টি তার দিকে অবাক দৃস্টিতে তাকিয়ে আছে।সে ঘুম থেকে উঠে সোজা ওয়াশরুমে ঢুকে জায়। গোছল সেসে দাত ব্রাশ করার জন্য আয়নার সামনে আসে।সে জা দেখে বিসসাস করেন রাসেল ভাই তা দেখার জন্য সে প্রস্তুত ছিল না।তার পুরো সরির গায়েব হয়ে গেছে, তার মানে সে রাতে যে wiss করেছিল তা পুরোন হয়ে গেছে। তার গায়ের কাপড় সুধু দেখা যাচ্ছে।
তখন সে তার গায়ের কাপড় খুলে ফেলে।

এবং আয়নার সামনে আসে। সে খুবই অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে আয়নার দিকে।আয়নাতে শুধু তার সরিরের কাপড় দেখা যাচ্ছে। সে কাপড় টি ও খুলে ফেলে। আর তখনই তার মা তার রুমে চলে আসে। সে খুবই লজ্জা পেয়ে জায়, কারন তার সরিরে কোন কাপড় ছিল না।তার মা তাকে দেখতে পায় না।তখন মিকির সত্যিই বিসসাস হয়ে যায় যে তার রাতে করা উইসটি পুরোন হয়ে গেছে। সে এখন অদৃশ্য হয়ে গেছে। এখন তাকে কেও আর দেখতে পাবে না।

সে তার পুরো সরিরে জামা কাপড় পরে স্কুলে চলে জায়।সে চাচ্ছিল তার যে বন্ধুরা তাকে সব সময় বিরক্ত করত সেই বন্ধুদের উচিৎ সিক্ষা দিতে। ক্লাসে তার বন্ধু এভান কানে হেডফোন লাগিয়ে গান সুনছিল, আর মেডাম বোর্ড এ কিছু লিখছিল।তখন মিকি এভান এর খেলনা বন্দুক দিয়ে ব্লাকবোর্ডে একটি গুলি করে। আর বন্দুকটি এভান এর হাতে ছুরে মারে।মেডাম ভাবে এটা এভানই করেছে।সে খুবই রেগে জায়।

অন্য দিকে তার আরেক বন্ধু ব্যাটমিনটন খেলছিল।সেদিন ছিল তার ফাইনাল ম্যাচ।মিকি তাকে খেলার সময় খুবই বিরক্ত করে এতে সে খেলতেই পারে না।তার বাবা ও এসেছিল তার ম্যাচ দেখার জন্য। তার বাবা এতে খুবই রেগে জায় আর তাকে হেটে বারি ফিরে জেতে বলে।অন্য দিকে ইভান এর বাবা ইভান কে রেগে বারিতে নিয়ে জায়।

তখন সব মেয়েরা তাদের প্রাক্টিস সেস করলে মেডাম তাদের বলে গোছল করতে,এটা মিকি সুনে, আর তার মনে সয়তানি বুদ্ধি চেপে বসে।সে ভাবে এখন সে অদৃশ্য, এখন কেও তাকে দেখছে না।এখন সে চাইলে মেয়েদের ওয়াশ রুমে ঢুকে মেয়েদের গোছল করতে দেখতে পারে।সে সময় নস্ট না করে সোজা মেয়েদের ওয়াস রুমে ঢুকে পরে।আর সে মেয়েদের সরির দেখে মিটি মিটি হাসতে থাকে।

তখন একটি মেয়ে তার দিকে না বুঝে একটি টাওয়াল ছুরে মারে।এবং সেই টাওয়াল তার ওপর গিয়ে পরে।তখন সব মেয়েরা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে তার দিকে। হটাৎ একটি মেয়ে তার ওপর থেকে টাওয়াল সরিয়ে নিলে তার সরির আবার ভিজিবল হয়ে জায়।আর সব মেয়েরা চিৎকার করে। মিকি আসলে বুঝতে পারছিল না যে কেন এখন সে ভিজিবল হয়ে গেল। এই বিসয়ে মিকির মায়ের কাছে বিচার আসে।আর মিকিকে সে স্কুল থেকে নিয়ে বাসায় চলে জায়।

পরের দিন তাদের ক্লাসে একজন সাইক্রাটিটস চলে আসে। এবং তাদের ক্লাস থেকে 2 জন বাচ্চা নিখোঁজ হয়ে গেছে। সবাই ভাবে তারা নিজের ইচ্ছে তে বারি ছেরে চলে গেছে।সবাই ভাবে পরালেখার চাপ না নিতে পেরে তারা বারি ছেরে চলে গেছে। তাই তাদেরকে নানা ভাবে বুঝাতে থাকে।তখন হটাৎ মিকি অদৃশ্য হতে থাকে।সে তার সরির তার কাপড় এর ভিতর লুকিয়ে ফেলে।আর বেল বাজার সাথে সাথে দৌরে ক্লাস থেকে বের হয়ে সোজা নিজের বারিরে চলে জায়। ঘরে গিয়ে দেখতে পায় তার ছোট বোন তার রুমে খেলা করছে।

সে তার বোন কে রুম থেকে চলে জেতে বলে।আর সে অন্য দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে থাকে।তার বোন চালাকি করে রুমের ভিতর থেকে দরজা আটকে ফেলে, সে ভাবে তার বোন চলে গেছে।সে তার মুখের কাপর সরালে তার বোন সুধু তার কাপড় দেখতে পায়, আর সে চিতকার করে, সে তার বোনের মুক চেপে ধরে।তখন সে তার বোনের কাসে সব খুলে বলে।তাকে আরো বলে সে জেন তার মাকে কিছু না বলে।

সেই ডিকেট্টিভ কে আসলে সরকার থেকে তাদের এখানে পাঠানো হয়েছে, যেন আর কোন বাচ্চা নিখোঁজ না হয়ে জায়। সেদিন মিকি তার রুমে বসে কমিক বই দেখছিল। তখন তার মা তার রুমে চলে আসে, সে লুকিয়ে পরে,তার মায়ের কাছে একটা ফোন আসে,মিকির নানি মিকির মাকে ফোন করেছিল।সে তার মাকে বলে যে আমি আমার মনে হয় মিকি কোন ভাবে জেনে গেছে তাকে আমি কুরিয়ে পেয়েছিলাম মিকি আমার নিজের সন্তান নয়। তখন মিকি প্রথম বারের মতো জানতে পারে যে, জাকে সে এত দিন মা বলে ডেকেছে সে তার আসল মা নয়।মিকি তার মায়ের সামনে বসে ছিল।হটাৎ সে একটু নরে চরে বসে এতে কিছু সব্দ হয়।তার মা ভাবে মিকি লুকিয়ে আবার তার কথা সুনে ফেলেনিতো।তাই সে রুমটি ভালো ভাবে চেক করে।

মিকি উদাস হয়ে সমুদ্রের পারে দোলনায় বসে ছিল। তখন সেখানে স্টেলা চলে আসে। স্টেলা তার অস্তিত্ব টের পায় এবং তার সাথে কথা বলে।সে তার সাথে বন্ধুত্ত করতে বলে কারন স্টেলার কোন বন্ধ ছিল না।তার মা তাকে বলেছে সে জেন কারো সাথে বন্ধুত্ব না করে।মিকির সাথে বন্ধুত্ব করলে তার মা জানতে পারবে না কারন তাকে তো দেখা যাবে না।এজন্য স্টেলা তার সাথে বন্ধুত্ব করতে বলে।মিকিও রাজি হয়ে যায়, কারন সে স্টেলা কে পছন্দ করত।

সেদিন রাতে মিকি স্টেলার বাসায় চলে আসে। স্টেলা মিকিকে দেখতে চায়।তাকে দেখার জন্য সে মিকির খুব কাছে চলে জায় তখন দেখে মিকি দেখে সে ধিরে ধিরে ভিজিবল হয়ে যাচ্ছে। সে দৌরে স্টেলার রুম থেকে চলে জায়। পরের দিন মিকি ভাবে এভাবে চলতে পারে না।সে স্টেলা কে সব বলে দিতে চায়।এজন্য সে স্টেলার কাছে জায়।আর সেখানে গিয়ে দেখে কেও একজন স্টেলাকে কিডনাপ করে নিয়ে যাচ্ছে। মিকি তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।কিন্তু সে ব্যথ্ হয়।সে কিডনাপ কারির হাতে আঘাত করে তার হাত কিছুটা কেটে ফেলে।কিডনাপার তাকে ফেলে দিয়ে স্টেলাকে নিয়ে চলে জায়।

স্টেলার গ্যন ফিরলে দেখতে পায়। তাকে একটি ল্যাব এ এনে কিছু পরিক্ষা নিরিক্ষা করা হচ্ছে। সব সেসে কেও একজন বলে আমরা জাকে খুজ্জচ্ছি এ সেই বাচ্চা নয়।তখন তাকে একটা লোহার ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।সেখানে সে তাদের স্কুলের নিখোঁজ হওয়া আরও ২ জন বাচ্চা কে দেখতে পায়। তারা আসলে কেন এখানে বন্দী জীবন জাপন করছে।আর ওই লোক গুলোই বা কারা এবং তারা কাকে খুজছে?

সব প্রস্নের উত্তর পেয়ে জাবেন আপনারা। কিছুখন এর মদ্ধে।
পরের দিন মিকির মা তার কস্টিউমস টি ধুয়ে দেয় এতে কস্টিউমস টি ছোট হয়ে জায়।এখন সে আর এটা পরতে পারবে না।সে যদি আর অদৃশ্য না হতে পারে তাহলে সে আর স্টেলাকে উদ্ধার করতে পারবে না।এজন্য সে এটি তার ছোট বোন কে পরায়।কিন্তু এতেও কোন কাজ হয় নে।সে তার মায়ের ওপর রেগে জায় আর বলে তুমি আমার কস্টিউমস নস্ট করে দিয়েছো।তুমি খারাপ তুমি আমার না নও।তার মা অবাক হয়ে ভাবতে থাকে একথা মিকি কিভাবে জানলো।

মিকি রাগে দুক্ষে সাইকেল নিয়ে সমুদ্রের পারে চলে জায়। সে দেখে সেখানে একজন লোক তাকে ফলো করছে।এই লোকটি তাকে আরও আগে থেকে ফলো করছে। লোকটি তার কাছে আসে।সে বলে আমার নাম আন্দ্রে আর আমি তোমার বাবা,মিকি বলে আমার বাবা ওনেক আগেই মারা গিয়েছে তিনি একজন পুলিশ অফিসার ছিলেন।তুমি মিত্থে বলছ।সে বলে এটা তোমাকে বোঝানো হয়েছে, তখন সে তাকে পাস্টের ঘটে যাওয়া ঘটনা বলতে থাকে। সে বলে তুমি রাসিয়া সম্পর্কে কি জানো।

রাশিয়ায় আমার জন্ম হয়েছিল। আমিও একটি সাধারণ জীবন জাপন করতাম। কিন্তু পরমানু হামলার কারনে সব নস্ট হয়ে গেছে। রেডিয়েশন এর কারনে ওনেক মানুষের মৃত্যু হয়ে হায়।আর কিছু মানুষের ডি এন এ তে পরিবর্তন আসে।একেক জন একেটা খমতা পেয়ে জায়। কেও অদৃশ্য হয়ে জায়।কেও হাওয়ায় উড়তে পারে আবার কারো সরির লম্বা হয়ে যেত।এজন্য সেনাবাহিনীরা তাদেএ কে বন্দি বানিয়ে ফেলে।সেনা প্রধান লরাই না করে যুদ্ধে বিজয় লাভ করতে চায়।এজন্য তাদেরকে বেবহার করবে যুদ্ধে।

সেখানে জতজন বন্দি ছিল তার মদ্ধে সব থেকে তারা আমাকে বেসি পছন্দ করত কারন আমি সবার মন পরতে পারতাম।কিন্তু কোন বন্দির বাচ্চা জন্ম দেওয়ার খমতা ছিল না। সুধু তোমার মা এবং আমি বেতিত।তখন তোমার জন্ম হয়ে।আমি তাদের মন পরে বুঝতে পেরেছিলাম যে তোমাকে আমাদের কাছেথেকে সরিয়ে নেওয়া হবে।তাই আমি আর তোমার মা সেখানে থেকে পালিয়ে জাই।তোমার মা নিজের জীবন দিয়ে তোমার জিবন বাচিয়ে দিয়েছে।এবং তোমার মায়ের মদ্ধে থাকা অদৃশ্য হবার সক্তি তোমার মদ্ধে দিয়ে গেছে।

আমি তোমার মায়ের মন পরে বুঝতে পেরেছিলাম সে একজন ভালো মহিলা সে একটি বাচ্চা দত্তক নিতে চাই তাই আমি তার বারির সামনে তোমাকে রেখে এসেছি। আর এখন সে দুনিয়ায় নজরে সে তোমার মা হয়ে গেছে এবং জাবার সময় তাকে একটি সুট দিয়ে জায়।আর বলে এটা তোমার সরির এর সাথে জায়েব হয়ে যাবে।

সেখানে থাকা মাছ ধরা সেই লোকটি পুলিশকে ফোন দিয়েছিল। কিছুখন এর মদ্ধে সেখানে পুলিশ চলে আসবে।তাই সে সেই লোকটির ১ দিনের স্রিতি মুছে দেয়।এজন্য তার আর কিছু মনে ছিল না।পুলিশ আসলেও সে পুলিশকে কিছু বলতে পারে না।পুলিশ আসলে সেখানে মিকির মা ও চলে আসে।মিকি তাকে জানায় সে এখানে এমনি বসেছিল।তার মায়ের হাথে তাকা ডিটেকটিভ মিকিকে বারিতে পোওছে দেয়।বাসাই গিয়ে সেই ডিকেক্টিভ কফি বানায় এই ফাকে মিকি তার জামার নিচে সেই কোরট টি পরে নেয়। ডিকেটিভ তাকে কফি খেতে ডাকে।এবং তারা ২ জন বসে কফি খাবার সময় মিকি খেয়াল করে ডিকেট্টিভ এর হাতে খত দেখে বুঝে জায় যে তিনি তার বন্ধু স্টেলাকে কিডনাপ করেছে।

মিকি তাকে এরিয়ে তার রুমে চলে জায় আর অদৃশ্য হয়ে জায়। সে পালানোর চেস্টা করে কিন্তু ডিকেট্টিভ সব দরজা লক করে দিয়েছে।
সে ডিটেকটিভ কে আঘাত করে কোন মতে সেখান থেকে পালিয়ে জায়।আর জাবার সময় তার বন্ধু ইভান এর সাথে দেখা হয়ে জায় সে ইভান এর বাইকে চরে কিন্তু ইভান তাকে দেখতে পারছিল না তাও সে হয়ে বাইক চালিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে জায়। মিকি তাকে সব খুলে বলে।তারা ২ জন মিলে তাদের বন্ধুদের উদ্ধার করবে বলে ঠিক করে।কিন্তু কোথায় খুজবে এটা বুঝতে পারে না।তখন ইভান বলে কোন না কোন সিগনাল পেয়ে জাবো চিন্তা করো না।

ঠিক তখনই স্টেলা লোহার ঘর থেকে বের হয়ে একটি লাইট এর মাদ্ধমে তাদের কাছে সিগনাল পাঠায়।তারা সেদিকে ছুটে জায়। তারা দেখে সেখানে অনেক মানুষের পাহারা রয়েছে।মিকি অনেক কস্টে ভিতরে প্রবেশ করে। আর ইভান বাইরে অপেক্ষা করে। মিকি সেখনে থাকা পহরিদের জিম্মি করে স্টেলা এবং তাদের সব বন্ধু দের ছারিয়ে নেয়।সেখানে থাকা ডিটেকটিভ মিকির মায়ের গারি হ্যাক করে ক্যমেরা তে দেখে মিকির বাবা মিকির মায়ের সাথে কথা বলছে।এবং তারা ২ জনে মিকিকে বাচাতে এদিকেই আসছে।মিকি সবাইকে নিয়ে বাইরে যাবে ঠিক তখনি স্টেলা বলে এখানে আরেকজন বৃদ্ধ লোক রয়েছে তাকেও আমাদের বাচানো উচিৎ।

এই বলে মিকিকে একটি সাবমেরিন এর ভিতরে নিয়ে জায়। ভিতরে জাবার পরে সেখান থেকে একজন বৃদ্ধ লোক বের হয়ে আসে আর তখনই স্টেলা মিকির দিকে বন্দুক তাক করে বলে এবার সামনে আসো ছোট আন্দ্রে।মিকি ভিজিবল হয়ে বলে এটা তুমি কেন করলে স্টেলা।সে বলে আমি স্টেলা না। তখন তাদের মদ্ধে থাকা একজন বৃদ্ধলোক তাকে জানায় তার নাম ক্লা আর সে যে কারো মস্তিষ্কে ঢুকে জেতে পারে এখন সে স্টেলার ব্রেন দখল করেছিল।আগে সে ডিটেকটিভ এর মস্তিষ্ক দখন করে মিকির সন্ধান পেয়েছে এবং তাকে আরও জানায় যে তার মা এখনো বিজিত আছে।ক্লা তাকে তার মায়ের কাছে নিয়ে জেতে চায়। কিন্তু মিকি এটা বিসসাস করে না।সে বলে আমার মা মারা গিয়েছে।

ক্লা তাকে জানায় তোমার মা এখনো বিজিত আছে। কিন্তু মিকি এটা মানতে নারাজ।তখন তারা স্টেলাকে ওপরে পাঠানোর জন্য একটি কেপ্সুল এর ভিতরে দিয়ে দেয়।কেপ্সুল্টি বন্ধ হবে ঠিক তখনই স্টেলার গ্যান ফিরে আসে। মিকি তখন খুব রেগে জায় আর তখন সাবমেরিন এর ভিতরে থাকা বিসাক্ত গেস এর পাইপ ফেটে জায়।এতে তারা সবাই মারা জায়।মিকি স্টেলার কেপ্সুল এ করে ওপরে চলে আসে।তারা ওপরে ফিরে আসার পরে মিকির বেপারে সবাই জেনে জায়।তাই মিকির বাবা সবার আজকের স্রিতি মুছে দেয়। সবাই ভুলে জায় তারা এখানে কেন এসেছে আর এই বাচ্চাদের কে বাচিঁয়েছে এটাও তারা ভুলে জায়।

বাচ্চাদের বাচানোর সব ক্রেডিট আসে মিকির মায়ের ওপর। তাকে সরকার থেকে সম্মানিত করা হয়।কিন্তু পরে স্টেলা মিকিকে ঠিকই চিনে ফেলে।পরে ছিনে দেখতে পায়।একজন সৈনিক তার কমান্ডার কে রিপোর্ট করে যে তাদের মিসন ফেইল হয়ে গেছে। তাদের কমান্ডার ও ছিল ইনভিসিবল সে সামনে আসলে দেখা জায় তিনি আর কেও নয়।এটা মিকির মা।সেই সৈনিক জানায় মেয়েটি তাদের কব্জায় রয়েছে। মিকিকে তারা আনতে পারেনি তাহলে কোন মেয়েকে তারা নিয়ে এসেছে।তখন আগের ভিডিও থেকে আমরা জানতে পারি মিকির একটি বোন ও জন্ম নিয়েছিল। মিকির বাবা পালানোর সময় তার পিঠের ব্যগ এ একটি মেয়েও ছিল।
মুভির দীতিয় পার্ট এ আপনাদের জন্য আরও বেসি টুইস্ট অপেক্ষা করছে।

এই মুভিটা কেমন লেগেছে তা জানাতে ভুলবেন না। আসসালামু আলাইকুম।

bangla explanation,বাংলা ব্যাখ্যা,thr invisible boy movie explain in hindi,the invisible boy 2014,movie explain in hindi,movie explanation hollywood movies in bangla,mobietv,hollywood movies explain in bangali,netflix and amazon prime videos,magic movies,adventure movie explain in bangla,the invisible boy explained in bangla,the invisible boy explained,

Comments

Popular posts from this blog

Hercules Movie Explained in Bangla | বাংলায় হারকিউলিস মুভিটির গল্প | Fantasy Movie

Hercules (2014) Movie Explained in Bangla 𝐌𝐨𝐯𝐢𝐞𝐂𝐫𝐞𝐝𝐢𝐭 : Paramount Pictures Director : Brett Ratner Producer : Brett Ratner & Barry Levine Cinematographer : Dante Spinotti Based on : Hercules - The Thracian Wars by Steve Moore IMDB-6.0/10 বীর তার কর্মের মাদ্ধই তার পরিচয় দিয়ে থাকে।তার জন্য ওইসরিক কোন পরিচয় মুক্ষ নয়।দেখার বিষয় সে মানুষের বিষাস ও ভালোবাসা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছে। ও হ্যা বলছিলাম ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া action adventure fantasy movie Hercules এর ঘটনা। গ্রিস দেসের এক নগরি হচ্ছে থিবস।এই থিবস নগরির এক বরসন মুখর রাতে জন্ম নিয়েছিল এক অদ্ভুত খমতাধর শিশু জার জান হারকিউলিস। গ্রিস পুরান মুতাবেক গ্রিকদের দেবরাজ এবং আকাশ ও জমিনের দেবতা হচ্ছে জিউস।এই জিউস এর সন্তান হচ্ছে হারকিউলিস।দেবতা পুত্র হবার পরেও হারকিউলিস মানুষের গর্রভে জন্মগ্রহণ করেছেন। জিউসের অবইধ সন্তান কে জিউসের স্ত্রী হেরা মেনে নিতে পারলেন না।হেরা ও ছিলেন দেবতাদের রাণি।জিউসের এই বিসবাস ঘাতকতা তিনি মেনে নিতে পারলেন না।এজন্য সে হারকিউলিস কে প্রচন্ড ধৃনা করতেন। হারকিউলিস কে মেরে ফেলার জন্য হেরা প্র...

Parasyte 1 (2014) এর বাংলায় explanation | Parasyte Japanese Horror full parts Summarized in Bangla

মানবজাতিকে ধ্বংস করে পৃথিবীর বোঝা কমাতে এগিয়ে এসেছে এক ভয়ানক পরজীবী! একজন মানুষের নাক, কান বা মুখ দিয়ে প্রবেশ করে সোজা মস্তিষ্কের দখল নিয়ে নেয় এই পরজীবী। তারপর ধীরে ধীরে দখল নেয় পুরো শরীর। হয়ে যায় মানুষখেকো দানব!জাকে দমন করা প্রাই অসম্ভব। মানবজাতিকে ধ্বংস করে পৃথিবীর বোঝা কমাতে এগিয়ে এসেছে এক ভয়ানক পরজীবী! একজন মানুষের নাক, কান বা মুখ দিয়ে প্রবেশ করে সোজা মস্তিষ্কের দখল নিয়ে নেয় এই পরজীবী। তারপর ধীরে ধীরে দখল নেয় পুরো শরীর। হয়ে যায় মানুষখেকো দানব!জাকে দমন করা প্রাই অসম্ভব। বলছিলাম ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ci fi horor মুভি প্যারাসাইট part 1 এর ঘটনা প্রবাহ। মুভিটির IMDB রেটিং 6.9/10 এবং Rotten tomatoes মুভিটা 73% ফ্রেশ। মুভির সুরুতে আমাদের দেখানো হয় কিছু প্যারাসাইট গভির সমুদ্র থেকে উঠে এসেছে। রাতে এক দম্পতি ঘুমিয়ে আছে আর একটি প্যারাসাইট তার কানের মদ্ধে ঢুকে যায়, লোক কি প্রথমে জন্ত্রনায় কাত্রাতে থাকে,এবং কিছুখন পর সে আবার সাভাবিক ভাবে ঘুমিয়ে পরে।অন্য দিকে দেখা যায় সিনচি তার কানে হেডফোন লাগিয়ে ঘুমিয়ে আছে। প্যারাসাইট টি কানের ভিতরে ঢুকার চেস্টা করেছিল কিন্তু সে ব্যর্থ হয়ে নাকের মদ্ধে দিয়ে ঢুক...