Skip to main content

Movie review (Always 2011) review in Bangla.কোরিয়ান সিনেমা আলওয়েস এর রিভিউ।


বরাবরই রোম্যান্টিক ঘরানার ছবি ভালো লাগে বলে অপেক্ষায় ছিলাম ছবিটির জন্য। কিন্তু ছবি মুক্তির আগেই কোরিয়ান রোম্যান্টিক মুভির লিস্ট ঘাঁটাঘাটি করতে গিয়ে পেলাম Always শিরোনামের মুভিটা। ট্রেলার দেখেই বুঝলাম এই ছবিটি থেকেই Do Lafzo Ki Kahani ছবিটি নকল করেছে। হুবহু নকল করা সত্ত্বেও যদিও বলিউড অহরহ Inspired ট্যাগ লাগিয়ে দেয় তাদের সব নকল ছবিতে। যাই হোক, বলিউডের মুভিটা দেখার চিন্তা বাদ দিয়ে দেখতে বসে গেলাম Always মুভিটা।

সাউথ কোরিয়ার এই মুভিটি মুক্তি পায় ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর। ১০৬ মিনিট ব্যাপ্তি ছবিটির কাহিনী আবর্তিত হয় চিওল-মিন নামের একজন প্রাক্তন বক্সারকে ঘিরে যে কিনা কোন এক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চার বছর তিন মাস জেল খাটার পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে এবং নানা ধরণের সৎ কাজে নিজেকে নিয়োজিত করে উপার্জনের পথ বেছে নেয়। এভাবেই সে নাইট শিফটের এক পার্কিং দেখাশোনার কাজ পেয়ে যায় পার্টটাইম হিসেবে, আর থাকার জন্য তাকে একটি ছোট রুম দেওয়া হয় যেখানে একটি ছোট টিভিও ছিল। এই পার্কিং-এই আগে একজন বৃদ্ধ দায়িত্ব পালন করতো। আর এই বৃদ্ধর সাথে গল্প করতে এবং টিভি সিরিজ দেখতে প্রতিদিন আসতো জাং-হুয়া নামের এক অন্ধ মেয়ে যে কিনা একাধারে এতিমও। বৃদ্ধর অনুপস্থিতিতে জাং-হুয়া চিওল-মিনের সাথেই নিয়মিত টিভি সিরিজ দেখতে থাকে। আর এভাবেই টিভি দেখা আর ঘোরাফেরার মাধ্যমের প্রেম হয় তাদের ভেতর। সেই সাথে চিওল-মিন বক্সিঙের অনুশীলনও শুরু করে আবার। এক সময় চাওল-মিন চায় জাং-হুয়ার চোখ ঠিক করতে, যেহেতু জাং-হুয়া জন্ম থেকে অন্ধ ছিল না। কিন্তু অপারেশনের এত্ত টাকা জোগাড় করতে গিয়ে চাওল-মিনকে অন্য এক পথে পা বাড়াতে হয়। এদিকে জাং-হুয়ার চোখ ঠিক হয়ে যায় কিন্তু চাওল-মিনকে সে আর খুঁজে পায় না। সময়ও পেরিয়ে যায়। তারপর? এরপরের গল্পটুকু জানতে হলে দেখতে হবে Always মুভিটির শেষ অব্দি।

অসাধারণ এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন সং লিগন। পরিচালকের Flower Island, Forest of Time, Feathers in the Wind, Spider Forest, Dance of Time প্রভৃতি ছবিগুলো ইতোমধ্যেই বিশ্ব জোড়া সমাদৃত। এছাড়া কিছু স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিও নির্মাণ করেছেন পরিচালক। San Francisco International Film Festival, Cannes Film Festival, Pusan International Film Festival, Melbourne International Film Festival এর মত আন্তর্জাতিক আসরে একাধিক বার পুরস্কার পেয়েছেন।

চাওল-মিন এবং জাং-হুয়া চরিত্রে অভিনয় করা সু জি-সাব এবং হান হু-জুর অভিনয় অসাধারণ লেগেছে। বলা বাহুল্য, এই ছবির কল্যাণে অভিনেতা সু জি-সাব ১৯তম কোরিয়ান কালচার এবং এন্টারটেইনমেন্ট এ্যাওয়ার্ড এবং অভিনেত্রী হান হু-জু CETV Asia’s Top Ten Popular Award এর আসরে হালু স্টার প্রাইজ পায়। ছবির পার্শ্ব চরিত্রগুলোর অভিনয়ও নিরাশ করেনি।

তবে ছবির চিত্রগ্রহণের কাজে আরও যত্নশীল হওয়া দরকার ছিল বোধ করি। সেই সাথে সঙ্গীতায়জনেও আরও নজর দিলে ভালো হত।

অনবদ্য ছবিটির কাহিনীকার জাং-হুন সাং। তবে চিত্রনাট্যের কাজ করেছেন পরিচালক সং লিগন স্বয়ং।

Comments

Popular posts from this blog

Hercules Movie Explained in Bangla | বাংলায় হারকিউলিস মুভিটির গল্প | Fantasy Movie

Hercules (2014) Movie Explained in Bangla 𝐌𝐨𝐯𝐢𝐞𝐂𝐫𝐞𝐝𝐢𝐭 : Paramount Pictures Director : Brett Ratner Producer : Brett Ratner & Barry Levine Cinematographer : Dante Spinotti Based on : Hercules - The Thracian Wars by Steve Moore IMDB-6.0/10 বীর তার কর্মের মাদ্ধই তার পরিচয় দিয়ে থাকে।তার জন্য ওইসরিক কোন পরিচয় মুক্ষ নয়।দেখার বিষয় সে মানুষের বিষাস ও ভালোবাসা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছে। ও হ্যা বলছিলাম ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া action adventure fantasy movie Hercules এর ঘটনা। গ্রিস দেসের এক নগরি হচ্ছে থিবস।এই থিবস নগরির এক বরসন মুখর রাতে জন্ম নিয়েছিল এক অদ্ভুত খমতাধর শিশু জার জান হারকিউলিস। গ্রিস পুরান মুতাবেক গ্রিকদের দেবরাজ এবং আকাশ ও জমিনের দেবতা হচ্ছে জিউস।এই জিউস এর সন্তান হচ্ছে হারকিউলিস।দেবতা পুত্র হবার পরেও হারকিউলিস মানুষের গর্রভে জন্মগ্রহণ করেছেন। জিউসের অবইধ সন্তান কে জিউসের স্ত্রী হেরা মেনে নিতে পারলেন না।হেরা ও ছিলেন দেবতাদের রাণি।জিউসের এই বিসবাস ঘাতকতা তিনি মেনে নিতে পারলেন না।এজন্য সে হারকিউলিস কে প্রচন্ড ধৃনা করতেন। হারকিউলিস কে মেরে ফেলার জন্য হেরা প্র...

Parasyte 1 (2014) এর বাংলায় explanation | Parasyte Japanese Horror full parts Summarized in Bangla

মানবজাতিকে ধ্বংস করে পৃথিবীর বোঝা কমাতে এগিয়ে এসেছে এক ভয়ানক পরজীবী! একজন মানুষের নাক, কান বা মুখ দিয়ে প্রবেশ করে সোজা মস্তিষ্কের দখল নিয়ে নেয় এই পরজীবী। তারপর ধীরে ধীরে দখল নেয় পুরো শরীর। হয়ে যায় মানুষখেকো দানব!জাকে দমন করা প্রাই অসম্ভব। মানবজাতিকে ধ্বংস করে পৃথিবীর বোঝা কমাতে এগিয়ে এসেছে এক ভয়ানক পরজীবী! একজন মানুষের নাক, কান বা মুখ দিয়ে প্রবেশ করে সোজা মস্তিষ্কের দখল নিয়ে নেয় এই পরজীবী। তারপর ধীরে ধীরে দখল নেয় পুরো শরীর। হয়ে যায় মানুষখেকো দানব!জাকে দমন করা প্রাই অসম্ভব। বলছিলাম ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ci fi horor মুভি প্যারাসাইট part 1 এর ঘটনা প্রবাহ। মুভিটির IMDB রেটিং 6.9/10 এবং Rotten tomatoes মুভিটা 73% ফ্রেশ। মুভির সুরুতে আমাদের দেখানো হয় কিছু প্যারাসাইট গভির সমুদ্র থেকে উঠে এসেছে। রাতে এক দম্পতি ঘুমিয়ে আছে আর একটি প্যারাসাইট তার কানের মদ্ধে ঢুকে যায়, লোক কি প্রথমে জন্ত্রনায় কাত্রাতে থাকে,এবং কিছুখন পর সে আবার সাভাবিক ভাবে ঘুমিয়ে পরে।অন্য দিকে দেখা যায় সিনচি তার কানে হেডফোন লাগিয়ে ঘুমিয়ে আছে। প্যারাসাইট টি কানের ভিতরে ঢুকার চেস্টা করেছিল কিন্তু সে ব্যর্থ হয়ে নাকের মদ্ধে দিয়ে ঢুক...

the invisible boy এর বাংলায় explanation.the invisible boy movie story summarized in bangla.

বলছিলাম 2014 সালে মুক্তি পাওয়া Action, Adventure, comedy মুভি the invisible boy মুভিটির ঘটনা প্রবাহ। IMDB 6.2/10 মুভির সুরুতে আমরা দেখতে পায়, মিকি নামের এই বাচ্চাটিকে যার, সপ্ন ছিল সে সুপার হিরো হবে।কিন্তু তার স্কুলের বাচ্চারা তাকে এতটা বাজে ভাবে বিরক্ত করত যে, সে তার নিজের পকেটে টাকা রাখতে ও সাহস পেত না।ক্লাস সুরু হলে একজন পুলিশ অফিসার আসে তাদের ক্লাসে, এসে বলে তোমাদের ক্লাসের একটি বাচ্চা নিখোঁজ হয়ে গেছে।তোমাদের সাথে যদি তার দেখা হয় তাহলে বলবে সে জেন বাড়িতে চলে জায়।আসলে এই এই পুলিশ অফিসার ছিল মিকির মা। তিনি ক্লাস থেকে বের হয়ে জায়। তার কিছুখন পরে মিকির নাক দিয়ে রক্ত পরতে থাকে।নিজের নাক থেকে ২ ফোটা রক্ত তার আনছার সিটে পরে। মিকি বাথরুমে গেলে জেই বাচ্চা ২ টি তাকে সব সময় বিরক্ত করত, সেই বাচ্চা ২ টি তার বাথরুমের দরজা ভেনগে তার দিকে একটি খেলনা বন্দুক তাক করে তার মোজার ভিতর থেকে টাকা নিয়ে নেয়।এই টাকা দিয়ে সে তার নিজের জন্য কোন এক সুপার হিরোর কস্টিউমস কিনতে চেয়েছিল। মিকি কোন মতে বাথরুম থেকে বের হয়ে জায়, পালানোর সময়, সেই বাচ্চাটি খেলনা বন্দুক দিয়ে তাকে গুলি করতে থাকে।আর বাকি বাচ্চারা দারিয়ে ...